ইসলামিকঃ

যে বয়সে আমাদের মা বোনদের পর্দা করার দরকার তখন তারা তা করেন না, যখন চামড়া কুঁচকে যায়, কেউ ফিরেও তাকায় না তখন এসে একেবারে বুরকা নিকাব করা শুরু করে দেন। অথচ বৃদ্ধাবস্থায় পর্দার বিধান কিছুটা শিথিল হয়ে যায়।
সাত বছর বয়স থেকে একজন ব্যক্তির গুনাহ লিখা শুরু হয়ে যায়। সকল নারীদের উচিৎ তখন থেকেই পর্দা করা।

আবার অনেকের এই সৌন্দর্য প্রকাশের অহংকারের শেষ হবে কবরের মাটি দিয়ে। তার আগে অনেকেরই হয়তো জ্ঞান হবে না। সারাজীবন লোকজনকে রূপ দেখিয়ে চলার ফল দুই চোখ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথেই বুঝতে পারবে তারা।

“তোমাদের মধ্যে সেই নারীই সর্বোত্তম যাকে কোন পুরুষ দেখে না এবং সেও কোন পুরুষকে দেখে না”।
কথাটি বলেছেনঃ
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর আদরের কন্যা, জান্নাতের নারীদের সর্দারনি, হযরত আলি(রাঃ) এর সহধর্মিণী, হাসান-হুসাইন(রাঃ) এর মা হযরত ফাতিমা (রাঃ)।

যুগের দোহাই দিয়ে, সমাজের দোহাই দিয়ে নিজেদেরকে প্রদর্শনের মাঝে কোন কল্যাণ নেই, কল্যাণ রয়েছে যারা জান্নাতি তাদের অনুসরণের মাঝে।

মহানবী (সাঃ) ইন্তিকালের আগে ওয়াসিয়াত করে গিয়েছিলেন যেন তার মৃত্যুর পর রাতে দাফন করা হয়। এবং কাফনের উপর দিয়ে শরীরের দৈর্ঘ্য প্রস্থ লোকজন বুঝতে না পারে।

নারীরা বেপর্দা চলছে বলে পুরুষদের জন্য তাদের দিকে দৃষ্টিপাত করা হালাল হয়ে যায়নি। পরিস্থিতি যতই খারাপ হোক না কেন তাদেরকেও দৃষ্টির হিফাজতের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। নাহলে নারী যতটুকু শাস্তি পাবে পুরুষ ও সেই পরিমাণ শাস্তি পাবে।

মহান আল্লাহ্ আমাদের মা বোনদেরকে যথাযথ পর্দা করার এবং ভাইদেরকে দৃষ্টির হিফাজতের তাওফিক দান করুক।