স্বাভাবিক ভাবে আমরা যে শ্বাস গ্রহন করি তা শ্বাসনালীর মধ্য দিয়ে ফুসফুসে প্রবেশ করে। কিন্তু কোনো কারণে শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে এলে বা যথেষ্ট ভাবে প্রসারিত হতে না পারলে স্বাভাবিক নিয়মে শ্বাস নেয়া বা ছাড়া সম্ভব হয়না। শ্বাস নিতে কষ্ট হয়ে যায় এই অবস্থাকে হাপানি বা শ্বাসকষ্ট বলে। ইংরেজিতে এর নাম হলো এজমা। জীবমে সংশয় না হলেও এটি মানুষের জীবনকে তিলে তিলে নষ্ট করে দেয়।

হাাঁপানি রোগের লক্ষণঃ
১. এ রোগ হলে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হয় এবং বুকে হাপ ধরে গলা দিয়ে শা শা শব্দ হয়। বকে কান পাতলে ভেতরে একটা চি চি শব্দ শোনা যায়।
২.ক্ষিধা না পাওয়া, ক্ষিধা কমে যাওয়া হাপানি রোগের লক্ষণ

হাপানি থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ঃ

১.আদা রসুন এবং লবঙ্গ চা
আদা যেকোনো শারীরিক প্রদাহের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য সবচেয়ে বিশ্বস্ত একটি প্রাকৃতিক উপাদান।
হাফ কাপ আদা মেশানো চায়ের সঙ্গে ২/৩ টি রসুনের কোয়া ভালো করে পিশে চায়ে মিশিয়ে নিন এবং এর সাথে যুক্ত করুন ২-৪ টি লবঙ্গ। সমস্ত উপকরণ গুলো ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
হাপানি রোগ থেকে মুক্তি পেতে দিনে ২ বার এই চআ পান করতে হবে।

২.আদা এবং হলুদ গুড়ার দুধ

এক গ্লাস গরম দুধ, হাফ চামচ হলুদের গুড়া এবং সামান্য কুচানো আদা এই সকল উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে দিনে ২ বার পান করতে হবে।

২. দারুচিনি এবং মধু মিশ্রিত পানীয়।

এককাপ হাল্কা গরম পানির সাথে এক চা চামচ দারুচিনি, দু চিমটে ত্রিকটুচুন্নো ভালোভাবে মিশিয়ে রাখতে হবে এবং ১০ মিনিট পর এক চা চামচ মধু যোগ করে পানিটি পান করতে হবে।

৪. যষ্টিমধু ও আদা মিশ্রিত চা
এক কাপ চায়ের সাথে হাফ চা চামচ যষ্টিমধু ও হাফ চা চামচ আদা মিশিয়ে দিনে ২বার পান করলে হাপানি রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

৫.তেজপাতা গোলমরিচ এবং মধুর মিশ্রণ

হাফ চা চামচ গুড়া তেজপাতা ২/৩ চিমটে গোলমরিচ এবং এক চা চামচ মধু ভালো ভাবে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। প্রতিদিন এই মিশ্রণটি২/৩ বার খেতে হবে ভারি খাবারের পর।