অন্যান্যঃ 

ব্রণ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত না হলেও সাধারণত দেখা যায়, হজমে গোলমাল,ড্রিংক করা,বয়ঃসন্ধিকাল কিংবা অন্যান্য অনেক কারণেই মুখে ব্রণ হয়। আবার অনেক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ব্রণের অন্যতম কারণ হচ্ছে বংশগত কারণ । ১৩ বছর থেকে ১৯ বছর অবদি মানুষের এই ব্রণ কম বেশি হয়ে থাকে।

ব্রণ দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়ঃ

১. কাচা হলুদ, চন্দন কাঠের গুড়া ব্রণের জন্য অত্যন্ত কার্যকারী উপাদান। সমপরিমাণ চন্দন কাঠের গুড়া ও কাচা হলুদ এবং হাল্কা পানি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে ব্রণ আক্রান্ত স্থানে লাগাতে হবে। তারপর শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

২. আপেল এবং মধু এই দুইটি উপাদান ব্রণ দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি।
আপেলের পেস্ট তৈরি করে তাতে ৫/৬ ফোটা মধু মিশিয়ে প্যাক টি ব্রণ আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখতে হবে। এরপর শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে ৫/৬ বার এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩. তুলসি পাতা ব্রণের দাগ দূর করতে খুব উপকারি। শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস ব্রণ আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

৪. চন্দন কাঠের গুড়া এবং গোলাপজল এর পেস্ট তৈরি করে এর সাথে ১ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে ব্রণে লাগাতে হবে। অনেকের মুখে গোলাপজল সুট করেনা সেক্ষেত্রে গোলাপজল এর পরিবর্তে মধু ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে ৩/৪ দিন ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

৫.যতটা সম্ভব ফাস্টফুড খাবার পরিহার করতে হবে। এবং বেশি বেশি পানি পান করতে হবে। রাতে খাওয়া দাওয়ার পর পারলে ফল খাওয়া উচিৎ।