বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে তাদের ‘অন্যরকম’ মৈত্রী সিলেটের মুড়িয়া হাওড়ের দুর্গম প্রান্তর। বর্ষা মৌসুমে যেখানে থইথই পানি, পৌষের শেষাশেষি এখন সেটি বড়বড় ফাটল আর চোরাবালির মতো গভীর থিকথিকে কাদা মাটিতে ভরা।

ভারত – বাংলাদেশের সীমান্তে অবস্থান এবং
যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্গমতার সুযোগে উভয়
দেশের মাদক ব্যবসায়ীরা এ হাওড়কে বেছে নিয়েছেন মাদক চোরাচালানের অভয়ারণ্য হিসেবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাগাল এড়াতে প্রয়োজনমতো একে অন্যের সীমান্ত পাড়ি দিয়ে মিলেমিশে গলাগলি করে চলে তাদের নিরাপদ মাদকের কারবার।

বিয়ানীবাজার উপজেলার হাওড়বাসীদের একের পর এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ বিষয়টিতে নজর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ” র্যাব ” তারই ধারাবাহিকতায় গতকালের অভিযান। ঝুঁকি ছিল।

হাওড়ের ধুধু প্রান্তরে ছোটাছুটির মধ্যেও খেয়াল রাখতে হচ্ছিল- কখন আবার ভুলে ভারতের সীমানায় ঢুকে পড়ে কিনা বাহিনীর কেউ।

অবশেষে কলিজা হাতে নিয়ে করা দীর্ঘ অভিযানের পর ভারতের আসাম রাজ্যের নাগরিক বিনন্দ নমসুদ্র (৫৯) এবং সিলেটের বিয়ানিবাজার উপজেলার বাসিন্দা সুবাস দাশ(৪৯) কে ৬৭৭৫ পিস ইয়াবা টেবলেটসহ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র্যাব।

এ অভিযান মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতি
র্যাব এর পরিষ্কার বার্তা- মুড়িয়া হাওড়ে এ সর্বনাশা ব্যবসা আর চলবে না, চলতে দেওয়া হবে না।