ইসলামিক ডেস্কঃ 

 

নামাযে দাড়ালে দুনিয়ার যত আজেবাজে কথা আছে সব মনে পড়ে।

ওসমান ইবনে আবুল (রাঃ) বলেন আমি মোহাম্মদ (সাঃ) এর কাছে বললাম,হে আল্লহর রাসূল, আমি নামায ও কুরান তিলাওয়াত এর সময় শয়তান আমার কাজের বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সবকিছুতে গোলমাল করে।

তখন রাসূল (সাঃ) বলেন এটা একটা বিশেষ ধরনের শয়তান। যে নামাযে গোলমাল পাকায় তার নাম খিঞ্জির। ঠিক যখনি নামাযের মধ্যে তুমি তার উপস্থিতি পাবে তখনি আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইবে এবং বাম দিকে ৩ বার থুথু নিক্ষেপ করবে।

নামাযে আজেবাজে চিন্তার প্রথম কারণ হলো নামাযে অমনোযোগ থাকা আর দ্বিতীয় কারন হলো শয়তান খিঞ্জির এর চক্রান্ত। নামাযে মনোযোগী হওয়ার ৫ টি উপায় হলোঃ

১.সঠিকভাবে ওযু করা।
আমরা সবাই জানি ওযু ছাড়া নামায হয়না। অনেক সময়ই আমরা ওযু করলে সঠিক ভাবে ওযু করিনা তখনই শয়তান হাজির হয়ে নামাযে উলটা পালটা চিন্তা করায়।

২.নামাযে মনকে হাজির রাখা।

অনেক সময়ই নামায এর সময় আমাদের মন থাকে অন্যদিকে। তখন নামায হয়না। তাই নামাযের সময় বাহিরের সব চিন্তা ভুলে নামাযে আসতে হবে।

৩.আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করা।

আমরা নামায আদায় করি আল্লাহর জন্য। নামাযের মাধ্যমে আল্লহর ইবাদত করি। তাই শয়তানের হাত থেকে বাচতে নামাযে আল্লাহ কে বেশি বেশি স্মরণ করতে হবে।

৪.শুদ্ধ ভাবে সূরা পাঠ করা।

নামাযের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর সাথে কথা বলি। আল্লাহর ইবাদত করি। তখন আমাদের ভাষাটাই যদি সঠিক না হয় তাহলে কিভাবে হবে?
তাই আমাদের সঠিক শুদ্ধভাবে সূরা পাঠ করতে হবে।

৫. নামাযে দাঁড়িয়ে অনেকেই নড়াচড়া করে,শরীর চুলকায়,টুপি ঠিক করে,মশা তাড়ায়,শার্ট প্যান্ট ঠিক করে। এগুলা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে।