অন্যান্যঃ

অবাক হচ্ছেন তাই না? হ্যাঁ কোনো ইনভেস্ট ছাড়াই ডিমের খোসা দিয়ে ভালো টাকা আয় করা যায়।

ডিমের খোসার পাউডার যে কাজে লাগেঃ

১.হাড়ের জন্য বেশ উপকারি।
২.জয়েন্ট পেইন দূর করতে সাহায্য করে,
৩.গরম দুধে মিশিয়ে পান করলে গ্যাস্ট্রিক আলসার ভালো করে।
৪.টুথপেস্ট তৈরিতে ডিমের খোসার পাউডার কাজে লাগে।
৫.গৃহপালিত পশু পাখির পুষ্টির জন্য এদের খাবারে মিশিয়ে খাওয়ানো যায়।
৬.বিভিন্ন ক্রিম তৈরিতে এই ডিমের খোসার পাউডার ব্যবহার রয়েছে।
৭. জৈব সার ও প্রাকৃতিক সার তৈরিতে ডিমের খোসার পাউডার ব্যবহার হয়।

ডিমের খোসা যেখান থেকে যোগাড় করবেনঃ

বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট বড় বড় হোটেলে ডিমের প্রচুর খাওয়া হয়। আপনি সেখানে যোগাযোগ করে একটি পরিষ্কার পাত্র দিয়ে আসলে তারা সেখানে জমা করে রেখে দিলে আপনি গিয়ে নিয়ে আসতে পারবেন। এতে আপনার কোনো খরচা ও হচ্ছেনা।

ডিমের খোসার পাউডার যেভাবে তৈরি করবেনঃ

প্রথমে ডিমের খোসা গুলো গরম পানিতে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিবেন। এতে জীবাণু গুলো চলে যাবে। তারপর খোসা গুলো শুকিয়ে ব্যালেন্ডার করে নিলেই পাউডার তৈরি হয়ে যাবে।

এই পাউডার কিভাবে এবং কোথায় বিক্রি করবেনঃ

একটি ডিমের খোসার ওজন ৬.২৭ গ্রাম। তাহলে ১ কেজি পাউডার বানাতে আপনার মোট ১৬০ টির মতো খোসার প্রয়োজন।
অনলাইন এ দেখতে পাবেন প্রতি কেজি ডিমের খোসার পাউডার বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৪৫০ টাকায়।

বিভিন্ন কসমেটিক্স এর দোকানে এই পাউডার বিক্রি করতে পারে।
আবার অনেক ডাক্তার ও হাড়ের সমস্যা, গেসট্রিক এর সমস্যার জন্য এই ডিমের খোসার পাউডার দুধের সাথে খেতে বলে। আপনি ফার্মেসি তে যোগাযোগ করে বিক্রি করতে পারেন। ডিমের খোসার পাউডার খুব ভালো একটি ফেস প্যাক। এটি আপনি চাইলে ছোট ছোট প্যাকেট এ ৫০ গ্রাম করে নিয়ে প্রতি প্যাকেট ২০ টাকা করে পার্লার এ বিক্রি করতে পারেন।

এভাবে ডেইলি ২-৩ কেজি বিক্রি করলে আপনার ৯০০ টাকার মতো ইনকাম হতে পারে।