বিনোদন ডেস্কঃ

ছেলে-মেয়ের বিয়ের সঠিক বয়স নিয়ে মতভেদের শেষ নেই। বাল্যবিবাহ প্রথা উঠে গিয়ে অল্প বয়সে বিয়েও করতে চাইছে না বর্তমান প্রজন্ম। স্বাবলম্বী হয়ে তবেই বিয়ের দিকে এগিয়ে যান ছেলে-মেয়ে দুজনেই। এদিকে মেয়েদের ২২-২৩ বছর বয়স হতে না হতেই তার বিয়ে দেওয়ার জন্য উদগ্রীব থাকেন আত্মীয় স্বজন এবং পাড়াপ্রতিবেশীরা। মতপার্থক্য হলেও অল্প বয়সে অর্থাৎ প্রায় ২৫-২৬ বছর বয়সে বিয়ে সেরে ফেলতে পারে বুদ্ধিমানের কাজ। গবেষণা করে দেখা যে কারণগুলি জানা গেছে সেগুলি হলো-

৩০ বছর পার করে বিয়ের পিঁড়িতে বসলে স্বাভাবিক ভাবেই বয়সের সাপেক্ষে অনেক গাম্ভীর্য এবং দায়িত্ববোধ চলে আসে ফলে বিয়ের মধুর সম্পর্ক অনেকটাই প্রভাবিত হয়।

বেশি বয়সে বিয়ে করলে সন্তান ধারনের চাপ শীঘ্রই চলে আসে যার ফলে স্বামী-স্ত্রীর একসাথে সময় কাটানোর পরিমান খুবই কমে যায়। ‘কোয়ালিটি টাইম’ স্পেন্ড করতে পারেননা তারা। তাই অল্প বয়সে বিয়ে করলে সন্তানধারণের চাপ এবং দায়িত্ব অনেকটাই কম হয়। সম্পর্ক আরো সুদদৃঢ় হয়।

বিয়ের ফলে দুটি মানুষের মনের আদান প্রদান হয়। যার ফলে দুটি মানুষ তাদের চিন্তা চেতনাকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করতে পারে। যার ফলে একাকিত্ব মনোভাব, হতাশা, ক্লান্তি সবই দূর করা সম্ভব। তাই সময় থাকতে বিয়ে করা জরুরি।

সম্প্রতি স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে এমন তথ্য। বিয়ে এবং সুস্থ্য এই নিয়ে কি বলা হয়েছে তা জেনে নিন-

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: বিয়ের ফলে স্বামী-স্ত্রী’’র মধ্যে নিয়মিত শারীরিক স’ম্পর্ক স্থাপিত হয়। যার ফলে দম্পতির শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

নারীর মূত্রাশয় নিয়ন্ত্রণ: স্বাভাবিক যৌ’নজীবন নারীর মূত্রাশয়ের মাংসপেশীকে সক্রিয় রাখে। বিশেষ করে ‘অর্গাজমের’ সময় ‘পেলভিক ফ্লোরের’ মাংসপেশী সংকুচিত হয়, যা একটি ভালো ব্যায়ামও বটে। কারণ প্রায় ৩০ শতাংশ নারীর কোনো না কোনো সময় মূত্রাশয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

র’ক্তচাপ কমায়: নিয়মিত শারীরিক স’ম্পর্ক স্থাপিত হলে র’ক্তচাপ কমে বলে মনে করেন গবেষক জোসেফ জে. পিনসন। গবেষণা বলছে, শারীরিক স’ম্পর্ক র’ক্তচাপ কমায়। ব্যায়াম: নিয়মিত শারীরিক স’ম্পর্কে প্রতি মিনিটে পাঁচ ক্যালোরি খরচ হয়। গবেষকরা জানান, শারীরিক মিলনে দু’ধরনের উপকার পাওয়া যায়। এক. হৃদকম্পনে গতি আনে, দুই. একই সঙ্গে অনেক মাংসপেশীকে সক্রিয় করে।

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁ’কি: শারীরিক স’ম্পর্ক হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারি। হার্ট রেট ভালো রাখার পাশাপাশি ‘এস্ট্রোজেন’ এবং ‘টেস্টোস্টেরনের’ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষকরা জানান, যারা সপ্তাহে অন্তত দু’দিন শারীরিক স’ম্পর্কে লিপ্ত হন তাদের হার্ট অ্যাটাকে মৃ’ত্যুর আশ’ঙ্কা কম।

ব্যথা কমায়: ব্যথা কমাতে ‘অর্গাজম’ বেশি কার্যকর। অধ্যাপক বেরি আর. কমিসারুক জানান, অর্গাজম ব্যথা বন্ধ করতে পারে। কারণ এতে যে হরমোন নিঃসৃত হয়, তা শরীরের ব্যথা প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ঘুম: শারীরিক স’ম্পর্কের পর দ্রুত ঘুমাতে পারবেন। কারণ অর্গাজমের সময় যে হরমোন নিঃসৃত হয়, তা দেহকে শিথিল করে ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে আসে।

মানসিক চাপ: সঙ্গীর ঘনিষ্ঠতা মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমাতে পারে। গবেষকরা জানান, সুস্থ জীবন যাপনের জন্য শারীরিক ঘনিষ্ঠতা অ’ত্যন্ত জরুরি।